আফ্রিকা গভীর জঙ্গলের ত্রাশ চিতা বাঘ

“কালো বনভূমি” নামে বিখ্যাত আফ্রিকার জঙ্গল। মাইলের পর মাইল জুড়ে ঘন গহীন ভয়ঙ্কর বনভূমি। এতটাই গভীর যে এখনও আফ্রিকার জঙ্গলের বহু অঞ্চলে পড়েনি সভ্যজগতের পায়ের ছোয়া। শুধু সভ্যজগত বললেও ভুল হবে, বিজ্ঞানীদের মতে আফ্রিকার জঙ্গলে এখনও এমন বহু জায়গা আছে যেখানে কখনওই কোন মানুষের পাড়া পড়েনি। রহস্যঘেরা এসব অঞ্চল এখনও মানুষের ধরা ছোঁয়ার বাইরে। হয়ত সেসব অঞ্চলে এখন এমন কিছু প্রাণীর অস্তিত্ব আছে যেসব প্রাণী সম্পর্কে মানুষের কোন ধারনাই নেই অথবা প্রাগৈতিহাসিক কোন প্রাণীর অস্তিত্ব থাকাটাও একেবারে অসম্ভব কিছুনা। যাই হোক, ধারনার কথা না হয় বাদই দিলাম। আফ্রিকার নিতান্ত পরিচিত প্রাণী সম্পর্কেই বা আমরা কতটা জানি? কতটা জানি তাদের ভয়ঙ্করতা সম্পর্কে?
#চিতাবাঘ: অনেকেই চিতার সাথে চিতাবাঘকে মিলিয়ে ফেলেন পারতপক্ষে দুটি সম্পূর্ণ আলাদা প্রাণী। চিতাবাঘের অরিজিনাল নাম হলো লেপার্ড। শুধুমাত্র দ্রুতগতি এবং হিংস্রতার জন্য আফ্রিকার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পশু হিসেবে চিহ্নিত লেপার্ড। মূলত আফ্রিকার রেইন ফরেস্ট এবং মরুভুমিতে চিতাবাঘের রাজত্ব থাকলেও সম্পূর্ণ আফ্রিকার জঙ্গল ঘিরে এদের বসবাস। সিংহের চেয়ে আকারে এবং শক্তিতে অনেক কম হলেও এর একরোখা স্বভাবের জন্য একে সেরা ভয়ঙ্কর প্রণী হিসেবে অনায়াসেই অভিহিত করা যায়।

মাটিতে এবং গাছে সমান বিচরন লেপার্ডের যেটা এটাকে একনম্বর ভয়ঙ্কর প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত করার অন্যতম কারন। তীক্ষ্ণ দৃষ্টিশক্তি এবং ঘ্রানশক্তি, একরোখা, বুদ্ধিমান এবং দ্রুতগতির এই প্রাণীটাকে এমনকি বনের রাজা সিংহও যথেষ্ট সমীহ করে চলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Shares