ভাগ্য খুলছে মালয়েশিয়া অবস্থানরত অবৈধ প্রবাসীদের

নতুন বিদেশি কর্মী নিয়োগের আগে দেশটিতে থাকা অবৈধ কর্মীদের সমস্যা মোকাবেলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে মালয়েশিয়ার সরকার। মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলসেগারান বলেন, বর্তমানে অবৈধ বিদেশি কর্মীদের বিষয়ে ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে কবে নাগাদ চালু হতেপারে সে বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়।

মন্ত্রী বলেন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান এবং হংকংয়ের মতো দেশ যখন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে তখন তাদের শর্ত থাকে যে, কর্মী প্রেরণ করতে ইচ্ছুক দেশগুলোর সরকার তাদের অবৈধ কর্মীদের ফিরিয়ে নিতে কঠোর অবস্থান নেবে।

তিনি উল্লেখ করেন, এখন আমরা যা বলছি তা খুবই সহজ, যদি আপনি আমার দেশে শ্রমিক পাঠান তবে আপনাকে অবশ্যই সেরা শ্রমিক পাঠাতে হবে, আপনাকে অবশ্যই নিয়মনিষ্ঠ লোক পাঠাতে হবে।

বুধবার (২৮ নভেম্বর) ২৫তম আসিয়ান শ্রমমন্ত্রীদের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলছেন, আমরা যদি আরও একস্তর নিচে যাই, তাহলে বিশ্বের প্রধান দেশগুলো আমাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আনবে। তখন দেশগুলো এই দেশে আর বিনিয়োগ করতে চাইবে না।

এছাড়া দেশটিতে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা সুরক্ষা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। এটি মালয়েশিয়ার সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার (সোসো) অধীনে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় পরিমাণ কমাতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এটি বাস্তবায়ন হলে নিয়োগকর্তারা বিদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও সচেষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২২ লাখ। তাদের বড় একটি অংশ কৃষি ও নির্মাণ শিল্পে কর্মরত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Shares