এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে সোমবার

বাংলাদেশের দুই হাজার ৫৭৯টি কেন্দ্রে সোমবার একযোগে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, যাতে অংশ নেবেন ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন শিক্ষার্থী।

প্রথম দিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এইচএসসিতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র, বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র (ডিআইবিএস) এবং আলিমে কুরআন মাজিদ পরীক্ষা হবে।

আর এইচএসসি ব্যবসায় ব্যবস্থাপনায় সকালে বাংলা-২ (নতুন সিলেবাস), বাংলা-২ (পুরাতন সিলেবাস); বিকালে বাংলা-১ (সৃজনশীল নতুন সিলেবাস), বাংলা-১ (সৃজনশীল পুরাতন সিলেবাস) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্সে সকালে বাংলা-২, বিকালে বাংলা-১ (সৃজনশীল) পরীক্ষা হবে।

আগামী ১১ মে পর্যন্ত চলবে এইচএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

গত বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এই হিসাবে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৪০ হাজার ৪৮ জন।

এবার দুই হাজার ৫৭৯টি কেন্দ্রে নয় হাজার ৮১টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষায় বসবে। গতবারের থেকে এবার ১১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৩৮টি কেন্দ্র বেড়েছে।

এবার এইচএসসিতে আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে ৮৮ হাজার ৪৫১ জন, কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি বিএম-এ এক লাখ ২৪ হাজার ২৬৪ জন এবং ডিআইবিএসে ৪৩ জন পরীক্ষা দেবে বলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন।

মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৮৭ হাজার নয়জন ছাত্রী। দেশের বাইরে এবার বিদেশের আটটি কেন্দ্রে ২৭৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে।

পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থী এরপর কেন্দ্রে এলে রেজিস্ট্রারে নাম, ক্রমিক নম্বর ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করতে হবে। বিলম্বে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্র সচিব সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে অবহিত করবে।

কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। ছবি তোলা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়- এরকম কোনো ফোন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যবহার করতে পারবেন না।

ট্রেজারি বা থানা থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-শিক্ষক-কর্মচারীরা কোনো ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রশ্নপত্র বহনের কাজে কালো কাচযুক্ত মাইক্রোবাস বা ওইরকম কোনো যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএসএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে।

এবারও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা শ্রুতিলেখক নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবেন। এ ধরনের পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাবেন।

আর অটিস্টিকসহ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা পাবেন অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময়। এ ধরনের শিক্ষার্থীরা অভিভাবক, শিক্ষক বা সাহায্যকারী নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Shares